
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৫ (মিরপুর-কাফরুল) আসনের নির্বাচনী লড়াইয়ে বৈধতা পেয়েছেন বিএনপি ও জামায়াতের দুই হেভিওয়েট প্রার্থী। শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনে যাচাই-বাছাই শেষে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন এবং জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-১৫ আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে ৫ জনের আবেদন বৈধ হয়েছে এবং ৩ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বাকি একজন প্রার্থীর বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে। বৈধ ঘোষিত অন্য প্রার্থীরা হলেন—বাংলাদেশ জাসদের মো. আশফাকুর রহমান, জনতার দলের খান শোয়েব আমানউল্লাহ ও গণফোরামের এ কে এম শফিকুল ইসলাম।
অন্যদিকে, প্রয়োজনীয় তথ্য ও দলীয় মনোনয়নপত্র যথাযথ না হওয়ায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) আহাম্মদ সাজেদুল হক রুবেল, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মোবারক হোসেন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী তানজিল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া জাতীয় পার্টির প্রার্থী শামসুল হকের মামলার তথ্য যাচাইয়ের প্রয়োজনে তাঁর বিষয়ে সিদ্ধান্ত বর্তমানে স্থগিত রাখা হয়েছে। একই দিনে ঢাকা-১৩ আসনের যাচাই-বাছাইও সম্পন্ন হয়, যেখানে বিএনপি প্রার্থীসহ ৬ জন বৈধ এবং ৫ জন অবৈধ ঘোষিত হন।
তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ প্রার্থীরা ৫ থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে আপিল করতে পারবেন এবং ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে তা নিষ্পত্তি করা হবে। ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় এবং ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রতীক পাওয়ার পর ২২ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিক প্রচারণায় নামতে পারবেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।


