দীর্ঘ চার দশকের রাজনৈতিক ত্যাগ ও কঠোর পরিশ্রমের পর নিশ্চিত বিজয় হাতছাড়া হওয়ায় চরম হতাশা ও ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের সমর্থকরা। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর এই প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনের শুরু থেকে গণজোয়ার থাকলেও ফলাফলের নাটকীয় পরিবর্তনে তাঁর পরাজয় এখন টক অফ দ্য টাউন।
দলীয় সূত্র ও মাঠ পর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ শেষে রাত ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে অধিকাংশ কেন্দ্রের ফলাফলে মিল্টন প্রায় ৩০ থেকে ৩২ হাজার ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন। বিজয় নিশ্চিত ধরে নিয়ে কর্মীরা যখন আনন্দ-উল্লাস ও মিষ্টি বিতরণে ব্যস্ত, ঠিক তখনই পরদিন সকাল ১০টায় দৃশ্যপট বদলে যায়। আকস্মিকভাবে ঘোষণা আসে, জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন।
এই অপ্রত্যাশিত ঘোষণায় বিস্মিত তৃণমূল নেতাকর্মীরা একে ‘অদৃশ্য শক্তির প্রভাব’ বলে দাবি করছেন। তাঁদের অভিযোগ—গণনার শেষ পর্যায়ে অস্বচ্ছতা ছিল এবং প্রশাসনিক প্রভাবে প্রকৃত ফলাফল পাল্টে দেওয়া হয়েছে। বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা মনে করেন, মিল্টনের দীর্ঘ ৪০ বছরের রাজনৈতিক অবদান এভাবে উপেক্ষিত হতে পারে না।
তৃণমূল বিএনপি এখন শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের ত্যাগের মূল্যায়ন করে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় তাঁকে একটি সম্মানজনক অবস্থানে দেখার দাবি জানিয়েছে। সব হতাশার মাঝেও নেতাকর্মীরা বিশ্বাস করেন, সত্য ও ন্যায়ের বিজয় হবে এবং খুব শীঘ্রই তাঁরা কোনো ইতিবাচক সুসংবাদ পাবেন।


