একটুকরো সুখ আর মনের একটু প্রশান্তির জিম্মাদার তুমি,
সে হোক দিবস কিবা রজনী, আলো কিবা আঁধার।
সারাক্ষণ প্রাণচঞ্চল মন কেবল তোমার ভাবনায় বিভোর,
এজন্যই অখণ্ড ভালোবাসা তোমার প্রতি।
আমি বেদুইন যাযাবর হয়ে তোমার মনের পাহাড়ি জনপদ,
উদ্দাম নৃত্যের ঝরনা ঘুরে আসি।
মরুভূমির খাঁ খাঁ রোদ্দুর, তাও আমার কাছে পরম স্নেহের—
ছায়াশীতল মনে হয় কেবল তোমার জন্যই।
আমি অপরিপক্ক, অবিকশিত হতে পারি,
কিন্তু তোমার ভালোবাসার কাছে নিজেকে পরিপক্ক মনে হয়,
পুরোদস্তুর একজন অভিজ্ঞ প্রেমিক মনে হয়।
যত লালসার শিকার আমি, কেবল তোমারই জন্যই।
তুমি যেন এক অদম্য, ক্ষয়হীন, পাথর ও কংক্রিটের—
সুশোভিত সরু আঁকাবাঁকা রাস্তা;
যে পথে একবার গমন করিলে তোমার ভাবনা ছাড়া সব ভুলে যাই।
এভাবে একদিন, বহুদিন, বহু বছর, হাজার হাজার বছর—
আমি পথ হারিয়ে যাই শুধু তোমার জন্যই।
জরাজীর্ণতা ছেড়ে, পুরনো দিবস ছেড়ে,
নতুন আশায় নতুন স্বপ্নে বাঁধি বুক, তাও কেবল তোমারই জন্যই।
আমি যদি চাষি হতে চাই, তাও কেবল তোমারই জন্যই,
আবার যদি নভোচারী হতে চাই, তাও কেবল তোমারই জন্যই।
কেবল তোমারই জন্যই এ দেহ-মন-প্রাণ বিছিয়েছে বিশাল এক শামিয়ানা,
বিশাল এক ওয়াচ টাওয়ার—কেবল তোমার প্রতি অখণ্ড ভালোবাসার নিদর্শন।
আমি চিরকালব্যাপী তোমার আছি এবং তোমারই রয়ে যাব।


