Noto PostNoto Post
  • দেশ
  • বিদেশ
  • পলিটিক্স
  • কূটনীতি
  • ইকোনোমি
  • জলবায়ু পরিবর্তন
  • পর্যটন
  • এভিয়েশন
  • ভ্রমণ
  • নির্বাচন
  • প্রবাস
  • অন্যান্য
    • অপরাধ
    • আইন ও বিচার
    • ইতিহাস ও ঐতিহ্য
    • ইনভেস্টিগেটিভ প্রতিবেদন
    • এন্টারটেইনমেন্ট
    • কৃষি
    • স্পোর্টস
    • গণমাধ্যম
    • গুড নিউজ
    • চাকরি
    • মফস্বল
    • দেশি রান্না
    • ধর্মীয়
    • নারী ও শিশু
    • পডকাস্ট
    • প্রযুক্তি
    • সোশ্যাল মিডিয়া
    • ফ্যাক্ট-চেকিং
    • মতামত
    • লাইফস্টাইল
    • এডুকেশন
    • শুভ জন্মদিন
    • সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য
Notification আরো নোটো পোষ্ট দেখুন
Noto PostNoto Post
Search
  • দেশ
  • বিদেশ
  • পলিটিক্স
  • কূটনীতি
  • ইকোনোমি
  • জলবায়ু পরিবর্তন
  • পর্যটন
  • এভিয়েশন
  • ভ্রমণ
  • নির্বাচন
  • প্রবাস
  • অন্যান্য
    • অপরাধ
    • আইন ও বিচার
    • ইতিহাস ও ঐতিহ্য
    • ইনভেস্টিগেটিভ প্রতিবেদন
    • এন্টারটেইনমেন্ট
    • কৃষি
    • স্পোর্টস
    • গণমাধ্যম
    • গুড নিউজ
    • চাকরি
    • মফস্বল
    • দেশি রান্না
    • ধর্মীয়
    • নারী ও শিশু
    • পডকাস্ট
    • প্রযুক্তি
    • সোশ্যাল মিডিয়া
    • ফ্যাক্ট-চেকিং
    • মতামত
    • লাইফস্টাইল
    • এডুকেশন
    • শুভ জন্মদিন
    • সাহিত্য
    • স্বাস্থ্য
Follow US
  • Privacy Policy
  • Reporter List
  • Advertisement
  • Bengali Converter
  • Complaints
  • Contact
Copyright © 2026, Noto Post, All Rights Reserved | Powered By: Hur Agency
ভ্রমণ

অ্যান্টার্কটিকা অভিযানের পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি, বাজেট ও বাস্তবতা

Nilay Kumar Biswas
By
নিলয় কুমার বিশ্বাস
Nilay Kumar Biswas
Byনিলয় কুমার বিশ্বাস
অভিযাত্রিক
নিলয় কুমার বিশ্বাস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি বর্তমানে ট্যুর অপারেটর'বেঙ্গল ভিস্তা'র নির্বাহী পরিচালক। বিশ্ব ভ্রমণের তীব্র...
Follow:
- অভিযাত্রিক
প্রকাশিত: অক্টোবর ১, ২০২৬
শেয়ার
শেয়ার
নিলয় কুমার বিশ্বাস, বাংলাদেশি অভিযাত্রীপৃথিবীর সুদূরতম প্রান্তে অবস্থিত হিমশীতল নির্জন মহাদেশ অ্যান্টার্কটিকা ভ্রমণপিয়াসী ও পরিবেশ গবেষকদের পরম আকাঙ্ক্ষিত গন্তব্য। ভৌগোলিক দূরত্ব, চরম প্রতিকূল আবহাওয়া এবং বিপুল খরচের কারণে দক্ষিণ মেরুর এই অসীম বরফসাম্রাজ্যে যাওয়া অনেক বাংলাদেশি অভিযাত্রীর কাছেই এতদিন অলৌকিক স্বপ্নের মতো মনে হতো।
বছরের পর বছর ধরে অ্যান্টার্কটিকার ভৌগোলিক মানচিত্র বিশ্লেষণ করা, মেরু অঞ্চলের বন্যপ্রাণীর প্রামাণ্যচিত্র দেখা কিংবা দক্ষিণ মহাসাগর পাড়ি দেওয়া ঐতিহাসিক অভিযাত্রীদের রূপকথা পড়ার পর বাস্তবে সেই শুভ্র মহাদেশে গিয়ে দাঁড়ানো কেবল বিমানের একটি টিকিট কাটার বিষয় ছিল না। এটি ছিল বহু মাসের মানসিক প্রস্তুতি, শারীরিক সমীকরণ, আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অনুমোদন এবং অত্যন্ত সূক্ষ্ম লজিস্টিক পরিকল্পনার এক বাস্তব সফর।
নিলয় কুমার বিশ্বাস, বাংলাদেশি অভিযাত্রীআমাদের এই অভিযানের পেছনে ছিল একটি বৃহত্তর জাতীয়, পরিবেশগত ও আন্তর্জাতিক উদ্দেশ্য। ২০ দিনের এই দীর্ঘ যৌথ অভিযানে আমার অন্যতম সফরসঙ্গী ছিলেন দেশের স্বনামধন্য কনটেন্ট নির্মাতা সালাহউদ্দীন সুমন, যিনি দীর্ঘদিন ধরে ভ্রমণ, পর্যটন, ইতিহাস ও ঐতিহ্যিক বিশ্ব অনুসন্ধানে নিরলস কাজ করছেন।
আমাদের এই যৌথ মিশনের উদ্দেশ্য কেবল মহাদেশের দুর্গম সৌন্দর্য উপভোগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। অ্যান্টার্কটিকা হলো পৃথিবীর মূল জলবায়ু নিয়ন্ত্রক। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে মেরু অঞ্চলের গলতে থাকা হিমবাহ, সংবেদনশীল ইকোসিস্টেম এবং পেঙ্গুইনসহ দুর্লভ বন্যপ্রাণীর জীবন্ত পরিবেশচিত্র ধারণ করে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ক্ষতিকর প্রভাবের বাস্তব প্রমাণ বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরাই ছিল আমাদের মূল লক্ষ্য।
নিলয় কুমার বিশ্বাস, বাংলাদেশি অভিযাত্রী
ঢাকা থেকে ‘পৃথিবীর শেষ প্রান্ত’ উশুয়াইয়া

ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করে প্রথম ধাপে মধ্যপ্রাচ্য বা ইউরোপের ট্রানজিট হাব যেমন ইস্তাম্বুল, দোহা, দুবাই কিংবা আদ্দিস আবাবা হয়ে প্রথমে আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস এইরেসের এজিজা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাতে হয়। সেখান থেকে অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরে স্থানান্তর হয়ে আর্জেন্টিনার সর্বদক্ষিণের তিয়েরা দেল ফুয়েগো দ্বীপপুঞ্জের শহর উশুয়াইয়াতে নামতে হয়, যাকে বলা হয় ফিন দেল মুন্দো বা পৃথিবীর শেষ প্রান্ত। ঢাকা থেকে উশুয়াইয়া পৌঁছাতে আন্তর্জাতিক সংযোগ ও ইমিগ্রেশনের সময়ভেদে ৩৬ থেকে ৪৮ ঘণ্টা লেগে যায়।

অভিযান জাহাজ বা এক্সপেডিশন ভেসেল ছাড়ার দিন উশুয়াইয়ায় পৌঁছানোর পরিকল্পনা করা চরম বিপজ্জনক। দূরপাল্লার কোনো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বিলম্বিত হলে বা লাগেজ মিসপ্লেসড হলে আপনার কোটি টাকার সমপরিমাণ মিশন পণ্ড হয়ে যেতে পারে। কারণ অ্যান্টার্কটিকাগামী কোনো বিশেষায়িত জাহাজ একক কোনো যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করে না। তাই মূল সমুদ্রযাত্রার অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগে উশুয়াইয়ায় পৌঁছানো জরুরি।
বাংলাদেশি পাসপোর্টে আর্জেন্টিনার ভিসা

অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের নিজস্ব কোনো সরকার, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বা সার্বভৌম সীমানা নেই। ১৯৫৯ সালের ঐতিহাসিক অ্যান্টার্কটিক ট্রুটি সিস্টেম অনুযায়ী এটি বিজ্ঞান ও প্রাকৃতিক সংরক্ষণের এলাকা। ফলে অ্যান্টার্কটিকায় ঢোকার জন্য কোনো নিজস্ব ভিসার প্রয়োজন হয় না, তবে যে দেশ থেকে জাহাজ ছাড়বে যেমন আর্জেন্টিনা বা চিলি, সেই দেশের বৈধ ভিসা ও অনুমোদন থাকা বাধ্যতামূলক।বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য বর্তমানে আশাব্যঞ্জক দিক হলো, ঢাকায় আর্জেন্টিনার নিজস্ব দূতাবাস রয়েছে।

ভিসা আবেদনের প্রক্রিয়া

প্রথম ধাপে আর্জেন্টিনার কনস্যুলার সেকশনে ই-মেইলের মাধ্যমে আর্জেন্টিনা ভ্রমণের সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য, রিটার্ন ফ্লাইট বুকিং এবং আইএটিও নিবন্ধিত অ্যান্টার্কটিকা অভিযানের কনফার্মড বুকিং ভাউচার পাঠাতে হয়। দ্বিতীয় ধাপে দূতাবাস সাক্ষাৎকার এবং নথিপত্র জমার তারিখ নির্ধারণ করে দিলে আবেদনকারীকে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট, নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট, কভার লেটার ও ট্রাভেল ডকুমেন্ট জমা দিতে হয়। কোনো থার্ড-পার্টি এজেন্সি জমা নিতে পারে না। তাই জাহাজে আসন নিশ্চিত করার সাথে সাথেই কমপক্ষে ২ থেকে ৩ মাস হাতে রেখে ভিসা প্রক্রিয়া শুরু করা উচিত।
নিলয় কুমার বিশ্বাস, বাংলাদেশি অভিযাত্রী
ড্রেক প্যাসেজ নাকি ফকল্যান্ডস-সাউথ জর্জিয়া?

অ্যান্টার্কটিকা যাত্রায় সঠিক অপারেটর এবং অভিযানের রুট নির্বাচন করা সাফল্যের প্রধান চাবিকাঠি। আন্তর্জাতিক অপারেটরদের মধ্যে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের লিন্ডব্ল্যাড এক্সপেডিশনস তাদের বিলাসবহুল সেবা ও বিজ্ঞানভিত্তিক গাইডেন্সের জন্য বিশ্বখ্যাত। অন্যদিকে ওশানওয়াইড এক্সপেডিশনস বা পোসাইডন খরচের সাথে দক্ষতার চমৎকার সামঞ্জস্য অফার করে।

অভিযাত্রীদের সামনে মূলত দুটি প্রধান রুট থাকে। প্রথমটি অ্যান্টার্কটিক পেনিনসুলা রুট যা ১০ থেকে ১২ দিনের হয়ে থাকে। এটি উশুয়াইয়া থেকে কুখ্যাত ও উত্তাল ড্রেক প্যাসেজ অতিক্রম করে সরাসরি অ্যান্টার্কটিক উপদ্বীপ এবং সাউথ শেটল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছায়। এটি স্বল্পসময়ের অভিযান।
দ্বিতীয়টি হলো মালভিনাস বা ফকল্যান্ডস, সাউথ জর্জিয়া ও অ্যান্টার্কটিকা রুট যা ২০ থেকে ২৩ দিনের হয়ে থাকে। এটি দক্ষিণ মহাসাগরের একটি পূর্ণাঙ্গ সমুদ্র অভিযান। বিগল চ্যানেল অতিক্রম করে এটি প্রথমে ইসলাস মালভিনাস বা ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ, তারপর ঐতিহাসিক সাউথ জর্জিয়া যেখানে দশ লাখ রাজকীয় কিং পেঙ্গুইন এবং অ্যালিফ্যান্ট সিল-এর বসতি রয়েছে এবং শেষধাপে মূল অ্যান্টার্কটিক মহাদেশ স্পর্শ করে। আমরা এই দ্বিতীয় ও দীর্ঘতর ঐতিহ্যবাহী রুটটি নির্বাচন করেছিলাম, যা মেরু অঞ্চলের পুরো বাস্তুতন্ত্র প্রত্যক্ষ করার এক অনন্য সুযোগ তৈরি করে দেয়।
অ্যান্টার্কটিকা অভিযানে কত খরচ হয়?

অ্যান্টার্কটিকা বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ভ্রমণ গন্তব্যগুলোর শীর্ষে। এর মূল কারণ চরম বৈরী সাগরে চলাচলের উপযোগী আইস-ক্লাস জাহাজ পরিচালনা, অত্যন্ত অভিজ্ঞ মেরু গাইড নিয়োগ এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল থেকে বিচ্ছিন্ন কোনো অঞ্চলে ক্রু ও জ্বালানি বহনের বিপুল পরিচালনা ব্যয়।

হিসাব অনুযায়ী জাহাজ বা শিপিং কেবিন ভাড়া পড়ে আট হাজার থেকে আঠারো হাজার মার্কিন ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় সাড়ে নয় লাখ থেকে সাড়ে একুশ লাখ টাকা। আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বিমান টিকিট খরচ হয় আড়াই হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার ডলার বা প্রায় তিন লাখ থেকে সাড়ে চার লাখ টাকা। আর্জেন্টিনা ভিসা ও ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স ফি ৩০০ থেকে ৫০০ ডলার যা ৩৫ থেকে ৬০ হাজার টাকা। বিশেষায়িত মেরু গিয়ার ও গিয়ার রেন্টাল ৫০০ থেকে ১০০০ ডলার যা ৬০ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। উশুয়াইয়া ও ট্রানজিটে হোটেল ও খাবার খরচ ৮০০ থেকে ১৫০০ ডলার যা ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে মোট আনুমানিক বাজেট দাঁড়ায় ১২ হাজার ১০০ থেকে ২৪ হাজার ৫০০ ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় ১৫ থেকে ২৫ লাখ বা তারও বেশি।
উশুয়াইয়ায় স্থানীয় এজেন্সিগুলো অবিক্রীত কেবিনের ওপর ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেয়। তবে বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য কেবল এই ছাড়ের আশায় উশুয়াইয়া যাওয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ ঢাকা থেকে আর্জেন্টিনার ভিসা পেতে সময় লাগে এবং উশুয়াইয়ায় পৌঁছানোর পর যদি কেবিন না পাওয়া যায়, তবে বিশাল অঙ্কের এয়ারফেয়ার অপচয় হবে।
গিয়ার, প্রযুক্তি ও শারীরিক প্রস্তুতি

সাধারণ শীতের জ্যাকেট অ্যান্টার্কটিকায় অকার্যকর। সেখানে ৩-স্তরের পোশাক পদ্ধতি অনুসরণ করতে হয়। শরীর শুকনো রাখার জন্য ভেতরে মেরিনো উল থার্মাল, মাঝখানে ফ্লিস বা ডাউন ইনসুলেশন এবং বাইরের স্তরে উইন্ডপ্রুফ ও ওয়াটারপ্রুফ গিয়ার ব্যবহার করতে হয়। জোডিয়াক বোটে চড়ে দ্বীপে নামার সময় সাগরের নোনা পানির ছিটা ও বরফ বাতাস থেকে সুরক্ষায় ওয়াটারপ্রুফ প্যান্ট আবশ্যক।

হিমাঙ্কের নিচের তাপমাত্রায় ব্যাটারির ভোল্টেজ দ্রুত নেমে যায়। তাই স্পেয়ার ব্যাটারিগুলো সব সময় থার্মাল জ্যাকেটের ভেতরের পকেটে বা শরীরের তাপে রাখতে হয়। এছাড়া নোনা পানি ও তুষারপাত থেকে রক্ষা করতে বিশেষ ক্যামেরা রেইন কভার এবং জিপলক ব্যাগে সিলিকা জেল ব্যবহার করা জরুরি।
শারীরিক ফিটনেসের ক্ষেত্রে পর্বতারোহীদের মতো কঠিন অ্যাথলেটিক দক্ষতার প্রয়োজন নেই। তবে বরফের ওপর ভারসাম্য বজায় রেখে হাঁটা, উত্তাল সাগরে জোডিয়াক বোটে নিরাপদে ওঠানামা করা এবং সমুদ্রপীড়া সহ্য করার মতো স্বাভাবিক শারীরিক সক্ষমতা থাকা জরুরি।
অ্যান্টার্কটিকা ভ্রমণের সঠিক সময়সূচি

অ্যান্টার্কটিকায় পর্যটন মৌসুম মূলত দক্ষিণ গোলার্ধের গ্রীষ্মকাল অর্থাৎ নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত। নভেম্বর মাসে নির্মল ও অক্ষত বরফ দেখা যায় এবং পেঙ্গুইনদের মিলন ও বাসা বাঁধার মৌসুম শুরু হয়। ডিসেম্বর মাসে ২৪ ঘণ্টা দিনের আলো থাকে এবং ডিম ফুটে ছানার জন্ম নেওয়ার রোমাঞ্চকর দৃশ্য দেখা যায়। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে সহনশীল আবহাওয়া থাকে, পেঙ্গুইন ছানারা অত্যন্ত চঞ্চল হয়ে ওঠে এবং ফটোগ্রাফির সেরা দৃশ্যপট তৈরি হয়। মার্চ মাস হলো তিমি দর্শনের পিক-সিজন এবং এ সময় বরফ গলন সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে।

সঠিক পরিকল্পনা, যথাযথ মানসিক প্রস্তুতি এবং সুস্পষ্ট বাজেট থাকলে লাল-সবুজের পতাকাকে পৃথিবীর সুদূরতম এই বরফ সাম্রাজ্যে সম্মানের সাথে উড়ানো পুরোপুরি সম্ভব। এই অভিযাত্রা যেমন মানসিক তৃপ্তি দেয়, তেমনি আমাদের শেখায় এই পৃথিবীকে রক্ষা করা কেন আজ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।
মাস আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দৃশ্য বন্যপ্রাণী ও প্রধান আকর্ষণ
নভেম্বর নির্মল ও অক্ষত বরফ, বিশালাকার বরফের চাঁই পেঙ্গুইনদের মিলন ও বাসা বাঁধার মৌসুম
ডিসেম্বর ২৪ ঘণ্টা দিনের আলো, বরফ গলতে শুরু করার মনোরম দৃশ্য ডিম ফুটে পেঙ্গুইন ছানার জন্ম নেওয়ার রোমাঞ্চ
জানুয়ারি – ফেব্রুয়ারি তুলনামূলক অনুকূল ও সহনশীল আবহাওয়া চঞ্চল পেঙ্গুইন ছানা, ফটোগ্রাফির সেরা সময়
মার্চ সামুদ্রিক বরফ গলন সর্বোচ্চ পর্যায়ে তিমি দর্শনের (Whale watching) পিক-সিজন
খরচের খাত আনুমানিক ব্যয়ের পরিমাণ (USD) সম্ভাব্য খরচ (BDT)
জাহাজ/শিপিং কেবিন ভাড়া $৮,০০০ – $১৮,০০০ ৯,৫০,০০০ – ২১,৫০,০০০ টাকা
আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বিমান টিকিট $২,৫০০ – $৩,৫০০ ৩,০০,০০০ – ৪,২০,০০০ টাকা
আর্জেন্টিনা ভিসা ও ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স $৩০০ – $৫০০ ৩৫,০০০ – ৬০,০০০ টাকা
বিশেষায়িত মেরু গিয়ার ও গিয়ার রেন্টাল $৫০০ – $১,০০০ ৬০,০০০ – ১,২০,০০০ টাকা
উশুয়াইয়া ও ট্রানজিটে হোটেল/খাবার $৮০০ – $১,৫০০ ১,০০,০০০ – ১,৮০,০০০ টাকা
মোট আনুমানিক বাজেট $১২,১০০ – $২৪,৫০০ ১৫ থেকে ২৫+ লাখ টাকা
নোটো পোষ্ট অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন
সর্বশেষ নোটো পোষ্ট
1792170293014 1 Noto Post গোপালগঞ্জে শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষ্যে নিরাপত্তা জোরদার:আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি বিজিবি মোতায়েন
গোপালগঞ্জে শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষ্যে নিরাপত্তা জোরদার:আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি বিজিবি মোতায়েন
ধর্মীয় মফস্বল
LMC 20261017 143401 ALL in One by 🥀 iTechKM 🥀 Noto Post সান্তাহারে তিন শতাধিক বিএনপির কারা নির্যাতিত নেতা-কর্মীদের বিশাল সংবর্ধনা প্রদান
সান্তাহারে তিন শতাধিক বিএনপির কারা নির্যাতিত নেতা-কর্মীদের বিশাল সংবর্ধনা প্রদান
মফস্বল
IMG 20261017 WA0000 Noto Post সান্তাহারে স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত লাবনী বাঁচতে চান, চিকিৎসায় মানবিক সহায়তার আবেদন
সান্তাহারে স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত লাবনী বাঁচতে চান, চিকিৎসায় মানবিক সহায়তার আবেদন
মফস্বল স্বাস্থ্য
IMG 20261015 WA0003 Noto Post সান্তাহারে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর অবসরপ্রাপ্তদের ৭ম পূর্ণ মিলনী অনুষ্ঠিত
সান্তাহারে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর অবসরপ্রাপ্তদের ৭ম পূর্ণ মিলনী অনুষ্ঠিত
মফস্বল
LMC 20261015 135641 ALL in One by 🥀 iTechKM 🥀 Noto Post সান্তাহার মহিলা কলেজে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
সান্তাহার মহিলা কলেজে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
মফস্বল
20260928 172102 Noto Post বলাকইড় পদ্মবিলে পর্যটন শিল্পের বিকাশ: প্রতিদিন শত শত মানুষের আনাগোনা
বলাকইড় পদ্মবিলে পর্যটন শিল্পের বিকাশ: প্রতিদিন শত শত মানুষের আনাগোনা
ইতিহাস ও ঐতিহ্য এন্টারটেইনমেন্ট
IMG 20261014 WA0014 Noto Post সান্তাহারে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের উদ্যোগে দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ
সান্তাহারে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের উদ্যোগে দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ
মফস্বল
file 0000000015b0820cad142ab04769af6f Noto Post সান্তাহারে দমদমা উদীয়মান যুব শক্তি ক্লাবের আয়োজনে নাইট শর্টবার ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত 
সান্তাহারে দমদমা উদীয়মান যুব শক্তি ক্লাবের আয়োজনে নাইট শর্টবার ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত 
মফস্বল
FB IMG 1791824619968 Noto Post গোপালগঞ্জে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালিত
গোপালগঞ্জে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালিত
দেশ নারী ও শিশু
আজকের দিন-তারিখ
  • ()
  • ()

সম্পর্কিত

ilish pream Noto Post দিল্লির সাংবাদিক যখন মাওয়ার ইলিশের প্রেমে!
ভ্রমণনির্বাচিত পোস্ট

দিল্লির সাংবাদিক যখন মাওয়ার ইলিশের প্রেমে!

মার্চ ২৬, ২০২৬
ইউটিউবের বিভিন্ন ভিডিও দেখতে গিয়ে সুমনের মাথায় আসে বাংলাদেশের ইতিহাস নিয়ে কিছু করার
ইতিহাস ও ঐতিহ্যভ্রমণ

ইতিহাস ও ভ্রমণের ভিডিওতে প্রায় ৬ মিলিয়ন সাবস্ক্রাইবার, সফলতার শীর্ষে সালাহউদ্দীন সুমন

নভেম্বর ১৮, ২০২৫
বীরত্বের কিংবদন্তি: রাইস ট্যারাস আর আঙ্গামী উপজাতিদের গ্রাম খোনোমা
ফোকাসভ্রমণ

রাইস ট্যারাস আর আঙ্গামী উপজাতিদের গ্রাম খোনোমা

নভেম্বর ১৪, ২০২৫
জুকো ভ্যালি: যেখানে ফুলেরা মেঘের সঙ্গে কথা বলে
ভ্রমণ

নাগাল্যান্ড-মণিপুর সীমান্তে স্বর্গ: জুকো ভ্যালির মনোমুগ্ধকর ট্রেকিং

নভেম্বর ১৪, ২০২৫
আরো নোটো পোষ্ট দেখুন
প্রেস রিলিজ
notopost4@gmail.com
হোয়াটসঅ্যাপ
+৮৮০ ১৩০৪৭৭৯০৯৬
ঠিকানা
৯৮/বি গুলশান এভিনিউ, ঢাকা-১২১২
Noto PostNoto Post
Follow US
Copyright © 2026, Noto Post, All Rights Reserved | Powered By: Hur Agency
  • Privacy Policy
  • Reporter List
  • Advertisement
  • Bengali Converter
  • Complaints
  • Contact
Welcome to Noto Post
Username or Email Address
Password

Lost your password?