
নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনের নির্বাচনি দিগন্তে আশার আলো নিয়ে আবির্ভূত হয়েছেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আব্দুল আজিজ। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণার পর থেকেই দুই উপজেলার সাধারণ মানুষের মধ্যে অভূতপূর্ব জাগরণ ও নির্বাচনি আমেজ তৈরি হয়েছে।
সরেজমিনে মাঠ পর্যায়ের ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আব্দুল আজিজের সততা ও নিঃস্বার্থ জনসেবার গল্প এখন মানুষের মুখে মুখে। তরুণ প্রজন্মের কাছে তিনি এক আধুনিক ও প্রগতিশীল নেতৃত্বের প্রতীক। স্থানীয় তরুণদের মতে, আব্দুল আজিজ কেবল একজন নেতা নন, বরং তাঁদের কর্মসংস্থান ও মেধা বিকাশের স্বপ্নদ্রষ্টা। সাধারণ শিক্ষার্থীরাও তাঁর মাঝে খুঁজে পাচ্ছেন একটি শিক্ষিত ও সমৃদ্ধ জনপদ গড়ার কারিগরকে।
নির্বাচনি প্রচারণাকালে আব্দুল আজিজ বলেন, “আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আপনারা সবাই নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। আমি কথা দিচ্ছি, বিজয়ী হলে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করে গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রামকে একটি মডেল আসনে রূপান্তর করব।”
মাদকের ভয়াবহতা নিয়ে তিনি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করে বলেন, “নির্বাচিত হলে এই এলাকাকে মাদকমুক্ত করার পাশাপাশি ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংমুক্ত সমাজ হিসেবে গড়ে তুলব। মাদক ব্যবসায়ীরা যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।”
বড়াইগ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ভোটার আবেদ আলী জানান, “বিপদে-আপদে যাকে রাত-বিরাতেও পাশে পাওয়া যায়, আমরা তাকেই অভিভাবক হিসেবে সংসদে দেখতে চাই।” তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা মনে করেন, প্রতিকূল সময়েও মাঠের মানুষকে আগলে রেখে আব্দুল আজিজ নিজেকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। সাধারণ ভোটারদের এই বিপুল সমর্থনই বলে দিচ্ছে, নাটোর-৪ আসনের ভাগ্য পরিবর্তনের কারিগর হিসেবে আব্দুল আজিজ এখন এক অপ্রতিরোধ্য নাম।


