
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) বর্তমান প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান (মিল্টন)-কে ঘিরে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা-কল্পনা। মাঠপর্যায়ের দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক দক্ষতার পরিচয় দেওয়া এই নেতাকে মহানগর উত্তরের শীর্ষ সাংগঠনিক দায়িত্বে দেখতে চান তৃণমূলের সিংহভাগ নেতাকর্মী ও সমর্থক।
ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা মিল্টন প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও রাজপথে সক্রিয় থেকে কর্মীদের আস্থা অর্জন করেছেন। সাম্প্রতিক সময়ে ডিএনসিসি প্রশাসকের দায়িত্ব পালনে তাঁর সততা, স্বচ্ছতা ও নাগরিক সেবায় ইতিবাচক পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের পাশাপাশি রাজনৈতিক মহলেও নজর কেড়েছে।
নেতৃত্ব পুনর্গঠনের এই গুঞ্জন নিয়ে জানতে চাইলে তেজগাঁও থানা বিএনপির একজন প্রবীণ কর্মী মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, “রাজনীতিতে সংকটকালে যারা কর্মীদের ছেড়ে যাননি, শফিকুল ইসলাম মিল্টন তাদের একজন। তিনি সবসময় সাধারণ নেতাকর্মীদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকেন। উত্তর বিএনপিতে তাঁর মতো একজন পরীক্ষিত ও কর্মীবান্ধব নেতা নেতৃত্ব দিলে রাজপথের কর্মীরা নতুন করে প্রাণ ফিরে পাবে।”
একই সুর শোনা গেল উত্তরের আরেক উদীয়মান তরুণ ছাত্রদল নেতা সাব্বির আহমেদের কণ্ঠে। তিনি জানান, “নবীন ও প্রবীণের মধ্যে সঠিক সমন্বয় ঘটানোর অসাধারণ সাংগঠনিক ক্ষমতা রয়েছে মিল্টন ভাইয়ের। আমরা চাই হাইকমান্ড যেন কোনো ড্রয়িংরুমের নেতাকে না বসিয়ে রাজপথের এই কান্ডারিকেই মহানগরের দায়িত্বে নিয়ে আসেন।”
নেতাকর্মীদের এই ব্যাপক সমর্থন ও জোরালো দাবির বিষয়ে শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের মতামত জানতে চাইলে তিনি অত্যন্ত বিনীতভাবে জানান, “আমি দীর্ঘকাল ধরে দলের একজন সাধারণ সিপাহি হিসেবে শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও আমাদের দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায় কাজ করে যাচ্ছি। দল ও কর্মীদের ভালোবাসাই আমার মূল শক্তি। দল আমাকে যে দায়িত্ব দেবে, সততা ও নিষ্ঠার সাথে তা পালন করতে আমি প্রস্তুত।”
নীতিনির্ধারণী বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিএনপির হাইকমান্ডের ওপর নির্ভর করলেও, তৃণমূলের এই বার্তা স্পষ্ট। মাঠের কর্মীদের বিশ্বাস, শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের মতো একজন পরিচ্ছন্ন, যোগ্য ও সর্বজনগ্রাহ্য নেতাকে দায়িত্বে আনা হলে ঢাকা উত্তর বিএনপি আগামীতে আরও সুসংগঠিত, সুশৃঙ্খল ও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

